সহকারী শিক্ষক
২৫ মার্চ, ২০২৬ ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ
গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিডের গুরুত্ব
গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাস ফলিক এসিড না খেলে গর্ভের শিশুর মারাত্মক জন্মগত ত্রুটি, বিশেষ করে নিউরাল টিউব ডিফেক্ট (NTD) (মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের বিকলাঙ্গতা) হতে পারে। এটি শিশুর মেধা ও স্নায়বিক বিকাশে বাধা দেয়, গর্ভপাত বা কম ওজনের শিশু জন্মের কারণ হতে পারে। এছাড়া মায়ের রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে।
ফলিক এসিড না খাওয়ার পরিণাম ও ঝুঁকি:
নিউরাল টিউব ডিফেক্ট (NTD): এটি সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকি, যেখানে শিশুর মেরুদণ্ড বা মস্তিষ্ক সঠিকভাবে গঠিত হয় না।
স্পাইনা বিফিডা (Spina Bifida): শিশুর মেরুদণ্ড খোলা থেকে যেতে পারে, যা স্থায়ী পঙ্গুত্বের কারণ হতে পারে।
অ্যানেনসেফালি (Anencephaly): মস্তিষ্কের প্রধান অংশ বা খুলি তৈরি না হওয়া, যা মারাত্মক জন্মগত ত্রুটি।
শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত: শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বা শারীরিক গঠনে ঘাটতি থাকতে পারে।
গর্ভপাত বা অকাল মৃত্যু: ভ্রূণের অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে।
মায়ের রক্তাল্পতা: মায়ের শরীরে ফলিক এসিডের অভাবে রক্ত উৎপাদন কমে যেতে পারে।
পরামর্শ:
গর্ভধারণের পরিকল্পনা করার সময় থেকেই বা গর্ভাবস্থার প্রথম মাস থেকেই দৈনিক ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড গ্রহণ করা উচিত।
৫
৫ মন্তব্য