Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ মার্চ, ২০২৬ ০২:১৮ অপরাহ্ণ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের পালনীয় ১০টি নির্দেশনা


প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা:   শিক্ষার্থীদের মানতে হবে ১০ নির্দেশনা


২০২৫ সালে না হওয়া প্রাথমিকের সরকারি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের এপ্রিলে । সেটাকে সামনে রেখে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন আগেই প্রকাশ করা হয়েছে; প্রকাশ করা হয়েছে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালাও। সোমবার (২৩ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।


নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের মানতে হবে ১০টি নির্দেশনা।


এবারের হতে যাওয়া বৃত্তি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের ওপর হবে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ নম্বরে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। আর প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে পরীক্ষা হবে ৫০ + ৫০ = ১০০ নম্বরে। সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিটি বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।


বৃত্তির ধরন ও কোটা:::::-------


নীতিমালা অনুযায়ী, দুই ধরনের বৃত্তি প্রদান করা হবে— ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ। উভয় ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।


পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা:::::----------


১. পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কেউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না;


২. পরীক্ষার হলে প্রবেশপত্র ছাড়া অন্য কোনো অননুমোদিত কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না;


৩. উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার (ওএমআর) নির্ধারিত স্থানে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো কিছু লেখা যাবে না;


৪. উত্তরপত্রে অবশ্যই ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষর থাকতে হবে। অন্যথায় উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে;


৫. উত্তরপত্রের ভেতর বা বাইরে পরীক্ষার্থীর নাম, ঠিকানা, রোল নম্বর বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন বা অপ্রয়োজনীয়/আপত্তিকর কোনো কিছু লেখা যাবে না;


৬. খসড়ার জন্য কোনো অতিরিক্ত কাগজ দেওয়া হবে না। প্রদত্ত উত্তরপত্রে খসড়ার কাজ করতে হবে এবং তা পরে যথাযথভাবে কেটে দিতে হবে;


৭. প্রদত্ত উত্তরপত্র ছাড়া টেবিল, স্কেল, নিজ দেহ বা অন্য কোথাও পরীক্ষার্থী কোনো কিছু লিখতে পারবে না;


৮. প্রশ্নপত্র বিতরণের পর এক ঘণ্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা হলের বাইরে যেতে পারবে না;


৯. পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কর্তব্যরত ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র জমা দিয়ে পরীক্ষার হল ত্যাগ করতে হবে;


১০. এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হবে।


পরীক্ষা চলাকালে মান্য আচরণের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে:::::----------


ক. পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা যাবে না;


খ. প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে কিছু লিখে অন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বিনিময় করা যাবে না;


গ. প্রশ্নপত্র ছাড়া অন্য কোনো কাগজপত্র বা অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা যাবে না বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না;


ঘ. উত্তরপত্র ইনভিজিলেটরের কাছে দাখিল না করে উত্তরপত্রসহ পরীক্ষার হল ত্যাগ করা যাবে না;


ঙ. উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন ও বিনষ্ট করা যাবে না।



মন্তব্য করুন

ব্লগ