Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৮:১১ পূর্বাহ্ণ

সংখ্যা পদ্ধতি (Number System)

সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) হলো গাণিতিক চিহ্ন বা অংক ব্যবহার করে সংখ্যা প্রকাশ ও গণনার পদ্ধতি। এটি নির্দিষ্ট প্রতীক, বেস বা ভিত্তির উপর ভিত্তি করে সংখ্যা তৈরির নিয়ম নির্ধারণ করে। এতে ব্যবহৃত অংকের স্থান অনুযায়ী মানের পরিবর্তন হয়, যা গাণিতিক হিসাব-নিকাশ সহজ করে। প্রধানত বাইনারি, দশমিক, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি প্রচলিত। 

সংখ্যা পদ্ধতির মূল বিষয়গুলো:

অংক (Digit): সংখ্যা তৈরির ক্ষুদ্রতম প্রতীক (যেমন: ০, ১, ২...)।

ভিত্তি বা বেস (Base): একটি পদ্ধতিতে মোট যতটি অংক ব্যবহার করা হয়, তার সংখ্যা । যেমন- দশমিকে ১০টি (০-৯), বাইনারিতে ২টি (০, ১)। 

সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:

১. দশমিক (Decimal): ভিত্তি ১০, ব্যবহৃত অংক ০-৯।

২. বাইনারি (Binary): ভিত্তি ২, ব্যবহৃত অংক ০, ১ (কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত)।

৩. অক্টাল (Octal): ভিত্তি ৮, ব্যবহৃত অংক ০-৭।

৪. হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal): ভিত্তি ১৬, ব্যবহৃত অংক ০-৯ এবং A-F। 

সংখ্যা পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা:

গণনা: দৈনন্দিন হিসাব-নিকাশ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায়।

কম্পিউটার: ডিজিটাল ডিভাইসে তথ্য সংরক্ষণ ও প্রসেসিংয়ে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ