Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৮:১০ পূর্বাহ্ণ

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System)
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System) হলো ২-ভিত্তিক একটি অবস্থানগত সংখ্যা পদ্ধতি, যা শুধুমাত্র দুটি অঙ্ক—০ (শূন্য) এবং ১ (এক) ব্যবহার করে সমস্ত সংখ্যা প্রকাশ করে। কম্পিউটার, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স এবং লজিক গেটে ডেটা প্রসেসিং ও স্টোরেজের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, যেখানে ০ ও ১ যথাক্রমে 'অফ' (নিম্ন ভোল্টেজ) এবং 'অন' (উচ্চ ভোল্টেজ) নির্দেশ করে। 
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
অঙ্ক ও ভিত্তি: এতে মাত্র দুটি অঙ্ক (০ এবং ১) থাকে, তাই এর ভিত্তি বা বেস (Base) হলো ২।
বিট (Bit): বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি ০ বা ১-কে একটি 'বিট' (Binary Digit) বলা হয়।
ব্যবহার: কম্পিউটার বা ডিজিটাল যন্ত্রপাতির অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াকলাপের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: দশমিকের ২ বাইনারিতে ১০, ৩ হলো ১১, ৪ হলো ১০০। 
কেন কম্পিউটার বাইনারি ব্যবহার করে?
কম্পিউটারের ইলেকট্রনিক সার্কিট খুব সহজেই বিদ্যুতের উপস্থিতি (১) এবং অনুপস্থিতি (০) বুঝতে পারে, যা বাইনারি সিস্টেমের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। 
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি অবস্থানের মান ২-এর ঘাত (power) হিসেবে বৃদ্ধি পায়।
মন্তব্য করুন

ব্লগ