প্রভাষক
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
নগদান বই ও ব্যাংক বিবরণীর গরমিলের কারণসমূহ:
নগদান বই ও ব্যাংক বিবরণীর গরমিলের কারণসমূহ:
নগদান বই (ব্যবসায়ের হিসাব) এবং ব্যাংক বিবরণী (ব্যাংকের হিসাব) এর উদ্বৃত্তের মধ্যে গরমিল সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
ক) সময়গত পার্থক্যের কারণে গরমিল (Timing Differences):
এই ধরনের লেনদেনগুলো আমানতকারী ও ব্যাংক তাদের সুবিধামতো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে লিপিবদ্ধ করে, ফলে নির্দিষ্ট তারিখে অমিল দেখা যায়:
|
লেনদেন |
আমানতকারী (নগদান বই) |
ব্যাংক (ব্যাংক বিবরণী) |
|
১. ইস্যুকৃত কিন্তু অন-উপস্থাপিত চেক |
চেক ইস্যুর সাথে সাথে (-) করে |
চেক পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো এন্ট্রি নেই |
|
২. জমাকৃত কিন্তু অ-আদায়কৃত চেক |
জমা দেওয়ার সাথে সাথে (+) করে |
ব্যাংক কর্তৃক টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত এন্ট্রি নেই |
খ) ব্যাংক বা আমানতকারীর ভুলের কারণে গরমিল:
এই লেনদেনগুলো হয় আমানতকারী বা ব্যাংক যেকোনো এক পক্ষ লিপিবদ্ধ করেছে, কিন্তু অন্য পক্ষ জানে না বা ভুলে যায়:
|
লেনদেন |
আমানতকারীর বইতে লেখা হয়নি (নগদান বই সংশোধন হবে) |
ব্যাংক বিবরণীতে লেখা হয়নি (ব্যাংক বিবরণী সংশোধন হবে) |
|
|
ব্যাংক কর্তৃক সরাসরি পাওনা আদায় |
ব্যাংক আদায় করেছে, কিন্তু আমানতকারী জানে না |
-
|
|
|
ব্যাংক কর্তৃক সরাসরি দেনা পরিশোধ |
ব্যাংক পরিশোধ করেছে, কিন্তু আমানতকারী জানে না |
-
|
|
|
ব্যাংক চার্জ বা সুদ ধার্য |
ব্যাংক চার্জ ধার্য করেছে, কিন্তু আমানতকারী জানে না |
-
|
|
|
ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত সুদ |
ব্যাংক সুদ দিয়েছে, কিন্তু আমানতকারী জানে না |
-
|
|
|
ভুল লিপিবদ্ধকরণ |
আমানতকারী নগদান বইতে ভুল অঙ্কে লিখলে |
ব্যাংক ভুল অঙ্কে লিখলে (খুব কম হয়) |
|
৫
৫ মন্তব্য