Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ মার্চ, ২০২৬ ০৬:০৮ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম

বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, যা ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত এবং ১৬ই ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। এটি একটি লিখিত দলিল, যাতে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং ৪টি তফসিল রয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনা, মৌলিক অধিকার ও নাগরিকদের কর্তব্য নির্ধারণ করে এই সংবিধান।
বাংলাদেশের সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
কার্যকর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস)।
সর্বোচ্চ আইন: রাষ্ট্রের অন্য কোনো আইন বা আইনের সাথে বিরোধপূর্ণ হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা (বা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার ও বহুত্ববাদ নিয়ে সংস্কার প্রস্তাবনা)।
শাসনব্যবস্থা: সংসদীয় পদ্ধতির সরকার (Legislature) [৩]।
মৌলিক অধিকার: সংবিধানে নাগরিকদের ১৮টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭)।
সংশোধনী: এ পর্যন্ত (২০২৪ এর তথ্য অনুযায়ী) ১৭ বার সংশোধন করা হয়েছে।
ভাষা: বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান, তবে বাংলা রূপটি কার্যকর। 
সংবিধানের প্রধান অধ্যায়সমূহ:
প্রজাতন্ত্র: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র।
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি: রাষ্ট্র কী নীতির ভিত্তিতে চলবে (গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ইত্যাদি)।
মৌলিক অধিকার: নাগরিকদের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার।
নির্বাহী বিভাগ: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ।
আইনসভা: জাতীয় সংসদ।
বিচার বিভাগ: সুপ্রিম কোর্ট (সংবিধানের রক্ষক ও ব্যাখ্যাকারী)। 
মূল সংবিধানটি সাধু ভাষায় রচিত এবং এর মূল কপিটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। এটি রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো ও ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ