সহকারী শিক্ষক
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৫:১৭ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
রমজান হলো ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র মাস, যাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং রোজা রাখা ফরয। এই মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয় [৬, ৯]। এতে রয়েছে আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ, হাজার মাসের চেয়ে উত্তম 'লাইলাতুল কদর' এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ [১, ৬]।
রমজানের ফজিলত ও গুরুত্বসমূহ:
পবিত্র কুরআন অবতীর্ণের মাস: রমজান মাসে আল-কুরআন নাজিল হয়েছে, যা মানবজাতির হেদায়েতস্বরূপ [১, ৬]।
রোজা ফরয: রমজানের রোজা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি [১১]।
গুনাহ মাফ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি: প্রতি রাতে আল্লাহ তা'আলা জাহান্নাম থেকে মানুষকে মুক্তি দেন [৬]।
লাইলাতুল কদর: এই মাসে এমন একটি রাত (লাইলাতুল কদর) রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ [৬]।
জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত: এ মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় [৬]।
ইফতার করানো: অন্য রোজাদারকে ইফতার করালে নিজের গুনাহ মাফ ও সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায় [১০]।
তাকওয়া অর্জন: রমজানের মূল লক্ষ্য হলো 'তাকওয়া' বা খোদাভীতি অর্জন করা, যা মানুষকে আত্ম-নিয়ন্ত্রণ ও ধৈর্য শেখায় [২, ৮]।
উমরাহর সওয়াব: রমজান মাসে উমরাহ করা হজ্জের সমতুল্য [৬]।
রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন রহমত, মধ্যের ১০ দিন মাগফিরাত বা ক্ষমা এবং শেষ ১০ দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন [৭]। এটি ইবাদত, দান-সদকা ও কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময়।
৫
৫ মন্তব্য