Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৫:০৫ পূর্বাহ্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে, সাইলোসাইবিন আয়ুষ্কাল ৫০%-এরও বেশি বাড়াতে পারে।



অভূতপূর্ব গবেষণা ইঙ্গিত করছে যে সাইলোসাইবিন মানব কোষের আয়ুষ্কাল ৫০%-এরও বেশি বাড়াতে সক্ষম, যা দীর্ঘায়ু-বিজ্ঞান ক্ষেত্রে এক সম্ভাবনাময় নতুন দিগন্তের সূচনা করতে পারে।


এমোরি ইউনিভার্সিটি এবং বেইলর কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে সাইলোসিন—যা সাইলোসাইবিনের সক্রিয় বিপাকজাত উপাদান—কোষীয় বার্ধক্য (সেলুলার সেনেসেন্স) প্রক্রিয়াকে উল্লেখযোগ্যভাবে বিলম্বিত করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজন বন্ধ করে এবং ধীরে ধীরে বার্ধক্যের দিকে অগ্রসর হয়। প্রাক-ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, যৌগটি প্রয়োগ করা মানব ত্বকের কোষ ৫১% বেশি সময় বেঁচে ছিল, আর ভ্রূণীয় ফুসফুসের কোষের আয়ু অনাবৃত নমুনার তুলনায় ৫৭% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ফলাফল ইঙ্গিত করে যে সাইকেডেলিক পদার্থের প্রভাব শুধু মস্তিষ্কেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এগুলো কোষ কীভাবে চাপ ও অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, সেই মৌলিক জৈবিক প্রক্রিয়াকেও প্রভাবিত করতে পারে।


জীবন্ত প্রাণীর ওপর পরীক্ষায় ফলাফল আরও উল্লেখযোগ্য ছিল। মাসিক সাইলোসাইবিন ডোজ পাওয়া বয়স্ক ইঁদুরদের মধ্যে ৮০% বেঁচে থাকার হার দেখা গেছে, যেখানে নিয়ন্ত্রণ গোষ্ঠীতে এ হার ছিল মাত্র ৫০%। শুধু বেঁচে থাকাই নয়, চিকিৎসাপ্রাপ্ত ইঁদুরদের মধ্যে লোম পেকে যাওয়া ও শারীরিক অবনতির মতো দৃশ্যমান বার্ধক্যের লক্ষণও তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব ফলাফল এখনো প্রাথমিক প্রাণী ও ল্যাবরেটরি মডেলের ওপর ভিত্তি করে। তবুও এই তথ্য বার্ধক্য গবেষণায় এক নতুন ও চিন্তাজাগানিয়া অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যা ইঙ্গিত দেয়—একসময় মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসায় সীমাবদ্ধ থাকা যৌগগুলো ভবিষ্যতে জৈবিক আয়ু বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।



মন্তব্য করুন

ব্লগ