গবেষণা কর্মকর্তা
০২ জানুয়ারি, ২০১৪ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
গবেষণা কর্মকর্তা
বিশ্বে প্রতিবছর ক্যান্সার ধরা পড়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৪০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্রিউএইচও) এ পরিসংখ্যান দিয়েছে।
২০১২ সালের উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্যান্সার আক্রান্তের হার ২০০৮ সালের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে গেছে। ওই বছর ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৭ লাখ। তাছাড়া, সে সময় ক্যান্সারে মৃত্যুও বেড়েছিল ৭৬ লাখ থেকে ৮২ লাখ পর্যন্ত।
শিল্পোন্নত দেশগুলোর দেখাদেখি উন্নয়নশীল বিশ্বে জীবনধারার দ্রুত পরিবর্তন ক্যান্সারের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। ধূমপান, স্থূলতার হার এমনকি মানুষের বেশিদিন বাঁচাটাও ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বব্যাপী ধূমপান থেকে সৃষ্ট ফুসফুস ক্যান্সারেই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ সংখ্যা ১৮ লাখ – যা অন্যান্য ক্যান্সার আক্রান্তের মোট সংখ্যার ১৩ শতাংশ।
ডব্লিউএইচও বলছে, ফুসফুস ক্যান্সার ছাড়াও বিশ্বে এক লাফে বেড়েছে স্তন ক্যান্সার। ২০০৮ সাল থেকে এ ক্যান্সার আক্রান্তের হার এবং মৃত্যুহার দুটোই বেড়েছে। ১৪০ টি দেশে নারীরা এখন এ ক্যান্সারই সবেচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
ক্যান্সার এ হারে বাড়তে থাকলে ডব্লিউএইচও’র হিসাবমতে, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ১ কোটি ৯০ লাখ ছড়িয়ে যাবে।
সূত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
- See more at: http://www.ebanglahealth.com/4958#sthash.RQ50L36U.dpufবিশ্বে প্রতিবছর ক্যান্সার ধরা পড়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৪০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্রিউএইচও) এ পরিসংখ্যান দিয়েছে।
২০১২ সালের উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্যান্সার আক্রান্তের হার ২০০৮ সালের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে গেছে। ওই বছর ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৭ লাখ। তাছাড়া, সে সময় ক্যান্সারে মৃত্যুও বেড়েছিল ৭৬ লাখ থেকে ৮২ লাখ পর্যন্ত।
শিল্পোন্নত দেশগুলোর দেখাদেখি উন্নয়নশীল বিশ্বে জীবনধারার দ্রুত পরিবর্তন ক্যান্সারের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। ধূমপান, স্থূলতার হার এমনকি মানুষের বেশিদিন বাঁচাটাও ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বব্যাপী ধূমপান থেকে সৃষ্ট ফুসফুস ক্যান্সারেই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ সংখ্যা ১৮ লাখ – যা অন্যান্য ক্যান্সার আক্রান্তের মোট সংখ্যার ১৩ শতাংশ।
ডব্লিউএইচও বলছে, ফুসফুস ক্যান্সার ছাড়াও বিশ্বে এক লাফে বেড়েছে স্তন ক্যান্সার। ২০০৮ সাল থেকে এ ক্যান্সার আক্রান্তের হার এবং মৃত্যুহার দুটোই বেড়েছে। ১৪০ টি দেশে নারীরা এখন এ ক্যান্সারই সবেচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
ক্যান্সার এ হারে বাড়তে থাকলে ডব্লিউএইচও’র হিসাবমতে, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ১ কোটি ৯০ লাখ ছড়িয়ে যাবে।
সূত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
- See more at: http://www.ebanglahealth.com/4958#sthash.RQ50L36U.dpuf২০১২ সালের উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্যান্সার আক্রান্তের হার ২০০৮ সালের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে গেছে। ওই বছর ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৭ লাখ। তাছাড়া, সে সময় ক্যান্সারে মৃত্যুও বেড়েছিল ৭৬ লাখ থেকে ৮২ লাখ পর্যন্ত।
শিল্পোন্নত দেশগুলোর দেখাদেখি উন্নয়নশীল বিশ্বে জীবনধারার দ্রুত পরিবর্তন ক্যান্সারের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। ধূমপান, স্থূলতার হার এমনকি মানুষের বেশিদিন বাঁচাটাও ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বব্যাপী ধূমপান থেকে সৃষ্ট ফুসফুস ক্যান্সারেই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ সংখ্যা ১৮ লাখ – যা অন্যান্য ক্যান্সার আক্রান্তের মোট সংখ্যার ১৩ শতাংশ।
ডব্লিউএইচও বলছে, ফুসফুস ক্যান্সার ছাড়াও বিশ্বে এক লাফে বেড়েছে স্তন ক্যান্সার। ২০০৮ সাল থেকে এ ক্যান্সার আক্রান্তের হার এবং মৃত্যুহার দুটোই বেড়েছে। ১৪০ টি দেশে নারীরা এখন এ ক্যান্সারই সবেচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
ক্যান্সার এ হারে বাড়তে থাকলে ডব্লিউএইচও’র হিসাবমতে, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ১ কোটি ৯০ লাখ ছড়িয়ে যাবে।
সূত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
- See more at: http://www.ebanglahealth.com/4958#sthash.RQ50L36U.dpuf২০১২ সালের উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্যান্সার আক্রান্তের হার ২০০৮ সালের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে গেছে। ওই বছর ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৭ লাখ। তাছাড়া, সে সময় ক্যান্সারে মৃত্যুও বেড়েছিল ৭৬ লাখ থেকে ৮২ লাখ পর্যন্ত।
শিল্পোন্নত দেশগুলোর দেখাদেখি উন্নয়নশীল বিশ্বে জীবনধারার দ্রুত পরিবর্তন ক্যান্সারের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। ধূমপান, স্থূলতার হার এমনকি মানুষের বেশিদিন বাঁচাটাও ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বব্যাপী ধূমপান থেকে সৃষ্ট ফুসফুস ক্যান্সারেই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ সংখ্যা ১৮ লাখ – যা অন্যান্য ক্যান্সার আক্রান্তের মোট সংখ্যার ১৩ শতাংশ।
ডব্লিউএইচও বলছে, ফুসফুস ক্যান্সার ছাড়াও বিশ্বে এক লাফে বেড়েছে স্তন ক্যান্সার। ২০০৮ সাল থেকে এ ক্যান্সার আক্রান্তের হার এবং মৃত্যুহার দুটোই বেড়েছে। ১৪০ টি দেশে নারীরা এখন এ ক্যান্সারই সবেচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
ক্যান্সার এ হারে বাড়তে থাকলে ডব্লিউএইচও’র হিসাবমতে, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ১ কোটি ৯০ লাখ ছড়িয়ে যাবে।
সূত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
- See more at: http://www.ebanglahealth.com/4958#sthash.RQ50L36U.মুটিয়ে যেতে চান না বলে ডায়েট কোলা খাচ্ছেন? বিশ্বাস করুন ড্যারেন জোন্সও তাই ভাবতেন। আর তাই তিনি প্রতিদিন ডায়েট কোক খেতেন ১৮ ক্যান। সম্প্রতি বৃটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল-এ জোনসের ছবি ছাপা হয়েছে। তার ওজন এখন ৫০০ পাউন্ড বা প্রায় ২২৭ কেজি।
শুধু জোনস নন, ডায়েট সোডায় আসক্ত আরো কিছু তারকার নাম পাওয়া যায়। এ তালিকায় আছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, সঙ্গীত শিল্পী ভিক্টরিয়া বেকহাম, এলটন জন, মুভি মোগল হার্ভি উইনস্টাইন এবং জেফরি কাজেনবার্গ। নিউ ইয়র্ক টাইমসে তাদের এ আসক্তি নিয়ে খবরও ছাপা হয়েছে। খ্যাতিমান ডায়েটিশিয়ান আলিশা জায়েডও গতবছর টুইটারে ডায়েট কোকের প্রতি নিজের আসক্তির কথা জানিয়েছেন।
গবেষকরা সোডা মেশানো ডায়েট পানীয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকির প্রমাণ পেয়েছেন। এর ক্ষতিকর প্রভাবে হৃদরোগ, স্ট্রোক কিংবা কিডনিতে সমস্য হতে পারে। এছাড়া ওজন বৃদ্ধি এবং নারীদের ক্ষেত্রে অপরিণত শিশু জন্মদানের আশঙ্কাও বেড়ে যায়। ডায়েট পানীয়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি নিয়মিত গ্রহণে আসক্তি তৈরি হয়, যেমনটা হয়েছিল ড্যারেন জোন্স-এর বেলায়।
সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সোডাযুক্ত পানীয় খাচ্ছেন এমন কেউ যদি একদিন পানীয় না খান তবে তার ওজন ২৬ আউন্স কমে যায়। আসক্তির কারণ হিসেবে সোডাযুক্ত কোলায় ক্যাফেইনকে দায়ী করা হচ্ছে। আট আউন্স কোকে ৪৭ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে।
জার্নাল অফ জেনারেল ইন্টারনাল মেডিসিন মানবদেহে সোডার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছে। আড়াই হাজার প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের ওপর চলে এ গবেষণা। প্রতিদিন সোডা খাওয়ানোর ফলে সেখানকার ৪৩ শতাংশ লোকের হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। ২০০৯ সালে হারভার্ডের একদল গবেষক জানিয়েছিলেন, প্রতিদিন দুইয়ের বেশি ক্যান কোলা খেলে এর প্রভাবে কিডনি ৩০ শতাংশ অকেজো হয়ে যায়।
কাজেই সোডা জাতীয় পানীয় সেটি ডায়েট হোক বা প্রচলিত ধরনেরই হোক, সাবধান!
সোর্সঃ বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
৭০
১৪৪ মন্তব্য